• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ আপডেট : ৬ আগস্ট, ২০২০

সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকতসহ সব আসামির কক্সবাজার আদালতে আত্মসমর্পণ

অনলাইন ডেস্ক

ডেস্ক রিপোর্ট : টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর রাশেদ সিনহা’র মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপরে কক্সবাজার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে, গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে প্রদীপ কুমারসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এদিকে বুধবার সিনহা রাশেদ নিহতের ঘটনায় টেকনাফের আদালতে হত্যা মামলা করে তার পরিবার। ঘটনার দিন উপস্থিত পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমারসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক তামান্না ফারাহ টেকনাফ থানাকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার তদন্তভার দেয়া হয় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব)। এরপর, রাতে টেকনাফ থানায় আদালতের নির্দেশে টেকনাফ থানায় এটি হত্যা মামলা হিসেবে দায়ের করা হয়।

এই মামলায় প্রত্যাহার হওয়া শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই লিয়াকত হোসনকে ১ নম্বর ও প্রত্যাহারকৃত টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ২ নম্বর আসামি করে আরো ৭ পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন: উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মো. মোস্তফা। সকলকেই ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর, ওসি প্রদীপের স্থলে টেকনাফ থানায় এবিএমএস দোহাকে নতুন ওসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ। একে সরাসরি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন সিনহার স্বজনরা। সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেয়ার পর বিশ্ব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন মেজর সিনহা রাশেদ। ভ্রমণ বিষয়ক একটি ইউটিউব চ্যানেল বানানোর কাজও চলছিলো তার। এরই অংশ হিসেবে সিনহা কক্সবাজারে ভিডিও তৈরির কাজে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরে পুলিশ দাবি করে, আত্মরক্ষার্থেই গুলি করা হয়েছে রাশেদকে।

আরও পড়ুন

  • এক্সক্লুসিভ এর আরও খবর