• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ আপডেট : ৮ আগস্ট, ২০২০

প্রবাসীকে ইয়াবা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে ছিলেন ওসি প্রদীপ

অনলাইন ডেস্ক

ডেস্ক রিপোর্ট : কক্সবাজারের টেকনাফে সদ্য প্রত্যাহার হওয়া মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার জুবাইদা বেগম বলেন,আমার দ্বিতীয় ছেলে দুবাই প্রবাসী মহিউদ্দিন কামাল ১১ জুলাই ঢাকা আসেন।এরপর ১৪দিন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে। ২৬ তারিখ বাড়িতে পৌঁছেন। দেশে নিজের পরিবারের স্বজনদের নিয়ে ঈদ করতে এক মাসের জন্য বাড়িতে এসে ছিলেন।

২৯ জুলাই বাবার জন্য ছোট ভাইসহ ঈদের কাপড় কিনতে আলো শপিং কমপ্লেক্স গেলে কাপড় নিয়ে ফেরার পথে ব্রিজের সামনে থেকে প্রদীপ বাহিনী তাকে মাইক্রোতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে যোগাযোগ করলে ক্রসফায়ারে ভয় দেখিয়ে ১৫লাখ টাকা দাবি করেন ওসি প্রদীপ।এরপর তাকে ছেড়ে দিবে বলে সাড়ে ৪লাখ টাকা নেন ওসি প্রদীপ।টাকা নেওয়ার পরেও থাকে ৪০০ ইয়াবা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেন।

তিনি বলেন, দেশে ঈদ করতে এসে ইয়াবার কলঙ্কিত হল আমার ছেলে মহিউদ্দিন কামাল!এখন আমার মন কে কিছুতে বুঝাতে পারছি না, ছেলে কে বিদেশ থেকে ডেকে এনে তিন দিন বাসায় থাকার পর বিনাদোষে যেতে হলো কারাগারে?এখন ছেলের জন্য কিছুু খেতে পারছি না?এসময় কাৃউকে কিছু বলার ক্ষমতা ছিলো না কিছু বললে ক্রসফায়ার ও গুম করে ফেলবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন,আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই ।

ভক্তভোগীরা জানান, টাকা নিয়ে ‘ক্রসফায়ার’ না দিয়ে কমবেশি ইয়াবা দিয়ে আদালতে এদের চালান দেতেন প্রদীপ এবং টাকা দিতে যে ব্যর্থ হতো তার তাই হতো মেরিন ড্রাইভ।

সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মাসে টেকনাফে ১৪৪টি ‘ক্রসফায়ারের’ ঘটনা ঘটেছে।এসব ঘটনায় ২০৪ জন মারা গেছেন।তাদের অর্ধেকের বেশি লাশ পড়েছিল মেরিন ড্রাইভে। যারা মারা গেছেন তাদের পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। যাকে ‘ক্রসফায়ারে’ দেয়া হতো ১০-১২ দিন তাকে থানা হাজতে রাখা হতো। আবার মাসের পর মাস থানা হাজতে রাখার ঘটনাও ঘটেছে। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান

আরও পড়ুন

  • জাতীয় এর আরও খবর