• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৯ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২০

কওমি মাদ্রাসা খোলার সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় বন্ধ থাকা দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করে তার মতামতের ভিত্তিতে দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহ-সভাপতি ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ ও মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ এবং বোর্ডের মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ আলীসহ কওমি আলেমদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিগগিরই দেশের সব কওমি মাদ্রাসা বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের কার্যক্রম চালুর বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তাদের কর্মপরিকল্পনার কথা জানাতে এসেছিলেন। সরকারের পক্ষে আমি তাদের আশ্বস্ত করে বলেছি, অতি অল্প সময়ের মধ্যেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এ প্রসঙ্গে জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহ-সভাপতি মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের সঙ্গে কওমি মাদ্রাসা বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের কার্যক্রম চালু করার অনুমতি চেয়ে অনুরোধ বার্তা দিয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবেন।’

মাওলানা ইয়াহহিয়া মাহমুদ বলেন, ‘যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কোরআন-হাদিস চর্চার কেন্দ্রস্থল কওমি মাদ্রাসাগুলো পরিচালনার ব্যাপারে আমরা সরকারকে আশ্বস্ত করতে চাই।’ চলতি আগস্টের শেষ দিকে কওমি মাদ্রাসার সব শ্রেণির পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ১২ জুলাই থেকে দেশের সব হাফিজিয়া মাদ্রাসা চালুর অনুমতি দিয়েছে সরকার। গত ৮ জুলাই ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে বলা হয়, এসব মাদ্রাসাকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। এরও আগে ১ জুন দেশের কওমি মাদ্রাসায় ছাত্রছাত্রী ভর্তির কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে অফিস খোলার অনুমতি দেয় সরকার।

সে ধারাবাহিকতায় কোরবানির আগে মাদ্রাসার অন্য বিভাগগুলো খোলারও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন অনুমতি দেওয়া হয়নি।

করোনা মহামারির কারণে দেশের প্রায় ২২ হাজার কওমি মাদ্রাসার ২৫ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী গত শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক পরীক্ষা দিতে পারেনি। ঈদুল ফিতরের পর কওমি মাদ্রাসাগুলোর নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও করোনার কারণে তা স্থগিত রাখা হয়।

আরও পড়ুন

  • এক্সক্লুসিভ এর আরও খবর