• ঢাকা
  • বুধবার, ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট, ২০২০
সর্বশেষ আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২০

ভাড়া বেশি নিয়েও নিয়ম মানছে না গণপরিবহন

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে নীলফামারীতে চলছে গণপরিবহন। আগের মতোই টিকিট বিক্রি করছে কাউন্টারের লোকজন। নিয়ম না মেনে সব আসনেই লোক নিলেও ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ। বেশিরভাগ যাত্রীরাও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। ফলে করোনার ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

জেলা শহরের গাছ বাড়ী ও কালিতলা বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, দূর পাল্লার বাসের যাত্রী আসনের খুবই বাজে অবস্থা। একে অপরের কাঁধে ঝুঁলিয়ে, ইঞ্জিন কভারসহ সব আসনগুলোয় যাত্রী বসা। আর করোনা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছে। এছাড়াও চালক, হেলপার রাস্তার যাত্রীদের ডেকে ডেকে গাড়িতে তুলতে দেখা গেছে। যাত্রীরাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে একেবার উদাসিন।

যাত্রী আইবুল ইসলাম জানান, একটি আসন পর যাত্রী বসানোর কথা কিন্ত পরিবহনের সুপারভাইজার ও হেলপার তা মানছে না। এছাড়াও বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুণ। স্বাস্থ্যবিধি যদি না মানে তবে আগের ভাড়া নেওয়া নিক।

ওই গাড়ির সুপারভাইজার মাসুদ রানা জানান, করোনাকালে যাত্রী না থাকায় ডাবল ভাড়ায় টিকিট বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে মালিক পক্ষ। ৬০ আসনের গাড়িতে ঢাকার যাত্রী মিলে ২৫-৩০ জন। এ দিয়ে পোষায় না। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৪০০ টাকার টিকিটি ৮০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

যাত্রীদের মুখে মাস্ক নেই কেন– এ প্রশ্নের জবাবে মাসুদ রানা বলেন, ‘আমরা শতবার বলার পরেও যাত্রীরা সচেতন হচ্ছে না। তবে আগে মাঝে মাঝে প্রশাসনের লোক (পুলিশ) এসে চেক দিত এখন সেটি করেন না। মাস্কের কথা বললে অনেকে জানায় ব্যাগে আছে ভাই। আবার কেউ বলে পকেটে।’

সড়ক পরিবহন সমিতির সভাপতি শাহাজান আলী চৌধুরী জানান, স্থানীয় পর্যায়ে গ্রাম-গঞ্জের যাত্রীরাই এসব গাড়িতে বেশি চলাফেরা করে। তারা ওত সচেতন না। তাই তারা গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানতে চায় না। আমরা শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চালাতে। কিন্ত যাত্রীরা তা কিছুতেই মানতে চান না এসব নিয়ম। এজন্য সাধারণ যাত্রী আগে ভাড়া নেওয়ার দাবি জানান।

চট্টগ্রামগামী শ্যামলী পরিবহনের সুপারভাইজার তপন কুমার রায় বলেন, ‘সুযোগ পেলেই জিজ্ঞেস না করেই গাড়িতে উঠে বসে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাত্রী তোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। তারা আমাদের কথা শুনে না ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে চায় না। আগে রাস্তায় পুলিশ গাড়ি চেক দেওয়ায় কিছুটা নিয়মের মধ্যে ছিল। এখন পুলিশ নাই তাই যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।’

আরও পড়ুন

  • এক্সক্লুসিভ এর আরও খবর