• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর, ২০২০
সর্বশেষ আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০২০

কাবা শরিফে প্রতিদিন ছিটানো হয় ১২০০ লিটার সুগন্ধি

অনলাইন ডেস্ক

মহামারী করোনায় কাবা শরিফে দীর্ঘ দিন ওমরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর এখন সবার নামাজের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। ওমরাহ পালনকারী ও মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন চার হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এ কাজে নিয়োজিত। প্রতিদিন স্প্রে করা হয় এক হাজার ২০০ লিটার সুগন্ধি। খবর আল-আরাবিয়া আরবি। প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস ওমরাহ বন্ধ থাকার পর গত ৪ অক্টোবর থেকে প্রথম ধাপে সীমিত পরিসরে তা আবার শুরু হয়েছে। এখন চলছে দ্বিতীয় ধাপে ওমরাহ পালন। এ ধাপে ওমরাহকারীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে তৃতীয় ধাপে বহির্বিশ্বের ওমরাহ পালনকারীদের গ্রহণে সৌদি আরব প্রস্তুত বলেও জানা গেছে।

বর্তমানে কাবা শরিফে সবার জন্য নামাজ পড়ার সুযোগ রয়েছে। স্বাভাবিক নিয়মে চলছে ওমরাহ কার্যক্রম। ওমরাহ পালনকারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হারামাইন কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সচেতনার সাথে কাজ করছে। ওমরাহ পালনকারী ও মুসল্লিদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মসজিদের হারাম এলাকায় প্রতিদিন এক হাজার ২০০ লিটার আতর স্প্রে করছে। পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে চার হাজার কর্মী।

হারামাইন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মসজিদে হারামে ওমরাহ আদায়ের লক্ষ্যে আগত মুসল্লিদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো জানানো হয়েছে যে, মসজিদুল হারামের অভ্যন্তর, বহিরাংশ ও মাতআফসহ পুরো এলাকা পরিচ্ছন্নতায় এবং সুগন্ধি ছিটানোর কাজে চার হাজার কর্মী নিয়োজিত। বিশাল এ বহরে পুরুষের পাশাপাশি নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীও রয়েছেন। বিশাল কর্মী বাহিনী পরিচালনায় ১৮০ জন সুপারভাইজার নিরলস তদারকির কাজ করে যাচ্ছেন। সুপারভাইজারদের দক্ষ পরিচালনায় তিন শিফটে ভাগ করে ২৪ ঘণ্টা এ সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে।
প্রতিদিন কাবা শরিফ তথা পুরো মসজিদে হারাম এলাকা রাত-দিন মিলিয়ে ১০ বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার এ কাজে ডিজিটাল মেশিনে পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যসম্মত উন্নত প্রযুক্তির ডিটারজেন্ট এবং জীবাণুনাশকও ব্যবহার করা হয়। সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিদিন ১২ লিটার বিভিন্ন দামি ব্র্যান্ডের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি পবিত্র সুগন্ধি ছিটানো হয়।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পরিচালক জাবের ওদাআনি জানান, পুরো মসজিদে হারাম এলাকা ছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফ, মাতআফ, রোকনে ইয়ামেনি, হাজরে আসওয়াদ, মুলতাজেম, হাতিমে কাবা, মাকামে ইবরাহিম, সাফা-মারওয়া পাহাড় সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অব্যাহত রয়েছে

 

আরও পড়ুন

  • এক্সক্লুসিভ এর আরও খবর