• ঢাকা
  • রবিবার, ৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর, ২০২০
সর্বশেষ আপডেট : ২৭ অক্টোবর, ২০২০

অবশেষে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মুখ খুলল সৌদি আরব

অনলাইন ডেস্ক

অবশেষে সীমিত পরিসরে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মুখ খুলল ইসলাম ধর্মের তীর্থস্থানখ্যাত সৌদি আরব। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিতর্কিত কার্টুন প্রদর্শন এবং ইসলাম ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের ঘটনায় ফ্রান্সের নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। তবে এর বেশি আর কোনো প্রতিবাদ করেনি তারা।

এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাকস্বাধীনতা, এর সংস্কৃতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা এবং শান্তির ভিত্তিতে হওয়া উচিত; যা ঘৃণা, সহিংসতা এবং চরমপন্থার উৎপত্তি ও সহাবস্থানবিরোধী চর্চা প্রত্যাখ্যান করে।

গত ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সের একটি সড়কে শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটিকে হত্যা করেছিল এক তরুণ। কারণ, ওই শিক্ষক ক্লাসে মহানবীর কার্টুন দেখিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তখনই শিক্ষকের ওপর হামলাকারী আবদৌলখ নামের ওই তরুণ ঘটনাস্থলেই পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

এরপরই ইসলাম ধর্ম ও বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করা হবে না বলে সাফ জানান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এমনকি বিশ্বনবীকে নিয়ে একটি বিতর্কিত কার্টুন দেখানোর জেরে খুন হওয়া ফরাসি শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটিকে সম্মান জানাতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ম্যাক্রোঁ এ কথা বলেন। ইসলামিক বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এই বিচ্ছিন্নতাবাদ ফ্রান্সের মুসলমান সম্প্রদায়গুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

মহানবী (সা.)-এর বিতর্কিত ছবি প্রদর্শনীর কারণে তুরস্ক, ইরানসহ মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ফ্রান্সের নিন্দা ও সমালোচনা করছে। ইসলামবিরোধী অবস্থানের প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা ফ্রান্সের পণ্যসামগ্রী বর্জনের ডাক দিয়েছে। প্যারিস থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নিতে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাবনা পাস হয়েছে।

 

বিশ্বের বেশির ভাগ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হয়। সৌদিতেও বর্জনের অন্যতম টার্গেটে পরিণত হয়েছে ফরাসি সুপার মার্কেট চেইন ক্যারেফোর। ফরাসি এই সুপারমার্কেট চেইনের পণ্য বর্জনের ডাক সৌদি আরবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ড হয়েছে। ভোক্তাদের এই মার্কেটের পণ্য কেনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

যদিও রয়টার্সের প্রতিবেদকরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ক্যারেফোরের অন্তত দুটি দোকান পরিদর্শন করে অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের মতো সেগুলোতে ব্যস্ততা দেখতে পেয়েছেন। এই কোম্পানির একজন প্রতিনিধি বলেছেন, তারা এখনও পণ্য বর্জনের প্রভাব আঁচ করতে পারেননি।

আরও পড়ুন

  • এক্সক্লুসিভ এর আরও খবর