• ঢাকা
  • সোমবার, ৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর, ২০২০
সর্বশেষ আপডেট : ৪ নভেম্বর, ২০২০

রাজধানীর যে সড়কে যান চলা তো দূরে থাক, হাঁটাও দায়

অনলাইন ডেস্ক

ভাঙা ইট-খোয়ার স্তুপ মাড়িয়ে পা চালানোই দায়। একটু অসতর্ক হলে বদ্ধ ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত উপচেপড়া পানিতে জেরবার হাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। অথচ এটি একটি রাস্তা। কাজির গরুর মতো মানচিত্রে থাকলেও বাস্তবে এ রাস্তায় দিয়ে চলাচলের উপায় নেই।

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার গাওয়াইর হাইস্কুল থেকে ব্যাংক কলোনি হয়ে প্রফেসর বাড়ি পর্যন্ত সড়কটির এমন বেহাল অবস্থা অনেকদিন ধরেই। সড়কটি দিয়ে রিকশা-গাড়ি চলাচল করতে পারে না। পায়ে হেঁটে চলাও দুষ্কর।

নগর কর্তৃপক্ষ বলছে, সিটি করপোরেশনে অধিভুক্ত এসব এলাকার জন্য একনেকে বড় অঙ্কের বরাদ্দ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিছুদিন পর প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

গাওয়াইর এলাকাটি গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত ছিল। ইউনিয়ন পরিষদ বিলুপ্তির পর সিটি করপোরেশনের বর্ধিত এলাকা হিসেবে যুক্ত হয়েছে এসব অনুন্নত এলাকা। দক্ষিণখান এলাকার গাওয়াইর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাভুক্ত।

গাওয়াইর ব্যাংক কলোনির বাসিন্দা মাঈনউদ্দিন জানান, সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট কেউ এ দিকে নজর দিচ্ছেন না।

মাঈনউদ্দিন বলেন, গাওয়াইর হাইস্কুল থেকে ব্যাংক কলোনি হয়ে প্রফেসর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী। পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে বা কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে ঘরেই পড়ে থাকতে হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের কাছে নেয়ার উপায় নেই। কারণ কোনো যানবাহন এ সড়ক দিয়ে চলতে পারে না।

এলাকাটিতে এখনো গড়ে ওঠেনি সুয়ারেজ ব্যবস্থা। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে এমনকি বৃষ্টি না হলেও সড়কে জমছে পানি।

আব্দুল হাই নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, পয়নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এলাকার কাউন্সিলর আমাদের খবরও নেন না।

এলাকাটি করপোরেশনের অঞ্চল-৭ এর অধিভুক্ত। অঞ্চলটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোতাকাব্বীর আহমেদ বলেন, এলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত ছিল। সম্প্রতি সিটি করপোরেশনে এসেছে। এ ধরনের বর্ধিত এলাকার উন্নয়নের জন্য একটি বরাদ্দ আসছে। সে প্রকল্পের মাধ্যমে খুব শিগগিরই এসব এলাকার উন্নয়ন কাজ করা হবে।

সমস্যা সমাধানে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের সুদৃষ্টি চেয়েছেন গাওয়াইর এলাকার বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, চার হাজার ২৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে পাস হয়েছে। এখন আমরা কোনো কাজ করলে তা আবার তুলে ফেলা হবে। আমরা এখন যে প্রোজেক্টই করবো, তিন থেকে চার মাস পর তা তুলে রাস্তা নতুন করে করবে। তারপরেও আমি জানলাম। এ বিষয়ে অবশ্যই পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

আরও পড়ুন