• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩ মে, ২০২১
সর্বশেষ আপডেট : ৩ মে, ২০২১

মুনিয়া-আনভীরের কল রেকর্ড ফরেনসিক পর্যালোচনার জন্য আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক

কলেজছাত্রী মুনিয়ার সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কল রেকর্ড ফরেনসিক পর্যালোচনার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৩ মে), সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান স্বরাষ্ট্রসচিব বরাবর এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান ও মুনিয়ার মধ্যে কথোপকথনের ওই কল রেকর্ডে সায়েম যেসব শব্দ মুনিয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন, তা যে কোন নারীর জন্য অত্যন্ত অপমানজনক। ওই কল রেকর্ড ফরেনসিক পর্যালোচনায় যদি দেখা যায়, অশ্লীল শব্দ প্রয়োগকারী ব্যক্তি সায়েম সোবহান, তাহলে তার বিরুদ্ধে যেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়।

নোটিশপ্রাপ্তির পর এ অনুসারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায়, এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের ফ্ল্যাট থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশ কর্তৃক ওই কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর তার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সায়েম সোবহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। প্রতি মাসে এক লাখ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে সায়েম সোবহান তাকে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিল। নিয়মিত ওই বাসায় সায়েম যাতায়াত করতো। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো করে থাকতো। মুনিয়ার বোন অভিযোগ করেন, তার বোনকে বিয়ের কথা বলে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিলো। একটি ছবি ফেসবুকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সায়েম সোবহান তার বোনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। তাদের মনে হচ্ছে, মুনিয়া আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এর বিচার চান তারা।

আরও পড়ুন