• ঢাকা
  • রবিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
সর্বশেষ আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে : চসিক মেয়র

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, প্রান্তিক শ্রেণীর জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত না করা পর্যন্ত কখনো অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্য পূরণ হবে না। চীনের মত সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার একটি দেশ সকলকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করেছে বলেই তারা এখন উন্নত দেশের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। আমাদেরকে এ পথে এগুতে হলে প্রান্তিক শ্রেণীর বিনিয়োগকৃত শ্রমকে প্রযুক্তির সমন্বয়ে দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে হবে। আজ মঙ্গলবার সকালে পাহাড়তলী আমবাগানস্থ ইউসেপ কার্যালয়ে এলআইইউপিসি এবং ইউএনডিপি আয়োজিত ৬শ’জন শিক্ষানবীশের দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো. সরোয়ার হোসেন খান, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, ইউসেপের আঞ্চলিক ম্যানেজার জয় প্রকাশ বড়–য়া, মো. আকরাম হোসেন সবুজ, এলআইইউপিসি’র মোহাম্মদ হানিফ, কোহিনুর আক্তার, প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের মধ্যে আসমা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।

মেয়র আরো বলেন, বাংলাদেশের বহু জনসম্পদ বিদেশে কর্মরত এবং তারা অর্থ উপার্যন করে বড় অংকের রেমিটেন্স যোগান দিচ্ছে। এই রেমিটেন্স বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনের বড় অবলম্বন। তবে প্রতিবেশি দেশের তুলনায় বিদেশে নিয়োজিত আমাদের মানব সম্পদের বড় অংশই অদক্ষ। তারা যদি দক্ষ হতেন তাহলে রেমিটেন্স সরবরাহের পাইপ লাইন অধিকতর সমৃদ্ধ হতো এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়তো জাতীয় অর্থনীতিতে। তিনি প্রথাগত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, শুধু সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা কখনো ব্যক্তির ভাগ্য পরিবর্তন এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে না। তাই প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বৃত্তিমূলক প্রযুক্তি চর্চা এবং স্ব-স্ব ক্ষেত্রে দক্ষতাসূচক পাঠক্রমের সংযোজন অতীব প্রয়োজন। এলআইইউপিসি’র প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ১৯টি ট্রেডে ১৭১০জন শিক্ষানবীশকে সহায়তা প্রদান করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম বলেন, ৬০০ জন শিক্ষানবীশের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হলো। এ সকল প্রশিক্ষণ প্রদানের ফলে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে বিদ্যমান শ্রমিকদের ঘাটতি পূরণ, নারী-পুরুষের দক্ষতা ও নারীর ক্ষমতায়ন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি করোনা মহামারী সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন